Translate in Your Language

PME (CUET) Subject Review: Petroleum and Mining Engineering(PME)

 ***Subject Review***

*Petroleum and Mining Engineering(PME)*
Petroleum and Mining Engineering(PME)।এই নামটি হয়তো অনেকের কাছেই নতুন। বিষয়টি বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে মোটামুটি নতুন হলেও
উন্নত বিশ্বে স্বয়ং প্রতিবেশী দেশ ভারতেও
একেবারে নতুন নয়। একটি দেশের সমৃদ্ধি ও উন্নয়নের মূল চাবিকাঠি হলো তার খনিজ সম্পদ। তাই এই বিষয় সম্পর্কে আমাদের জানা থাকা দরকার। তাহলে চলো এই বিষয় সম্পর্কে কিছু তথ্য জেনে নেওয়া যাক।
বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পেট্রোলিয়াম ইঞ্জিনিয়ারিং এবং মাইনিং ইঞ্জিনিয়ারিং এই দুইটি শাখায় আলাদা আলাদা ডিগ্রী প্রদান করা হলেও বাংলাদেশে দুইটি ডিগ্রী একসাথে প্রদান করা হয়। অর্থাৎ দুইটি শাখা একসাথে পড়ানো হয়। বাংলাদেশে প্রথম এই সাবজেক্ট নিয়ে যাত্রা শুরু করে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়(২০০৪)। এরপর যথাক্রমে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়(২০০৯), চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়(২০১০) এবং মিলিটারি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়(২০১৬) এ পিএমই ডিপার্টমেন্ট এর যাত্রা শুরু হয়। তাছাড়া বাংলাদেশ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়(বুয়েট) এই বিষয়ের উপর মাস্টার্স ডিগ্রী প্রদান করে। প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে শুধুমাত্র চুয়েট এ বিষয়ের উপর বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রী প্রদান করে থাকে।
★পেট্রোলিয়াম ইঞ্জিনিয়ারিং- পেট্রোলিয়াম প্রকৌশল একটি ক্ষেত্র প্রকৌশল, যা উৎপাদন সম্পর্কিত কার্যক্রমের সাথে সম্পর্কিত হাইড্রোকার্বন, যেমন- অপোরিশোধিত তেল বা প্রাকৃতিক গ্যাস অনুসন্ধান এবং উৎপাদন সম্পর্কিত কাজের সাথে জড়িত।
★মাইনিং ইঞ্জিনিয়ারিং- ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে খনন হল নীচে, উপরে বা স্থল থেকে খনিজ পদার্থ নিষ্কাশন। খনিজ প্রকৌশল অন্যান্য অনেকগুলি শাখার সাথে সম্পর্কিত, যেমন খনিজ প্রক্রিয়াকরণ, অনুসন্ধান, খনন, ভূতত্ত্ব এবং ধাতুবিদ্যা, ভূ-প্রযুক্তিগত প্রকৌশল এবং সমীক্ষা। একটি খনির সম্ভাব্যতা অধ্যয়ন, খনি নকশা, পরিকল্পনার বিকাশ, উৎপাদন এবং খনি বন্ধের অপারেশনগুলির মাধ্যমে খনিজ সম্পদ অনুসন্ধান ও আবিষ্কার থেকে শুরু করে খনি কার্যক্রমের যে কোনো পর্যায় নিয়ে এখানে আলোচনা করা হয়।
চুয়েটে ২০১০ সালে যাত্রা শুরুর পর এই সাবজেক্ট এর ব্যাপক প্রসার ঘটেছে। এই সাব্জেক্ট এ মূলত জিওলজির ভূমিকা অপরিসীম। চুয়েটে পিএমই ল্যাবগুলো খুবই সমৃদ্ধশালী। এখানের ল্যাব ফ্যাসিলিটি ঈর্ষনীয়।
চুয়েটের পিএমই ডিপার্টমেন্ট নিয়ে ১৫' ব্যাচের তৈরী করা একটি ডকুমেন্টারি ভিডিওর লিঙ্কও দেওয়া হলো নিচে-
যেসকল বিষয় পিএমই এর সাথে জড়িত:
1. Aerospace engineers
2. Architectural and engineering managers
3. Chemists and material scientists
4. Geoscientists
5. Industrial engineering technicians
6. Industrial engineers
7. Material engineers
8. Mechanical engineering technicians
9. Mechanical engineers
10. Sales engineers.
বিশ্বের সকল পেট্রোলিয়াম ইঞ্জিনিয়ারদের ও জিওলজিস্টদের একত্রিত রাখার জন্য রয়েছে Society of Petroleum Engineers(SPE) নামের একটি সংগঠন। প্রতিটা স্টুডেন্ট নিজস্ব একাউন্টের মাধ্যমে বিশ্বের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় এর শিক্ষক, স্টুডেন্ট, ইঞ্জিনিয়াদের সাথে যুক্ত থাকতে পারে এবং তথ্য পেতে পারে। উল্লেখ্য যে, চুয়েট পিএমই এর সকল স্টুডেন্টদের SPE একাউন্ট সম্পূর্ণ ফ্রি যার স্পন্সর করে Chevron।
স্কলারশীপ এর ক্ষেত্রে এই সাবজেক্টে রয়েছে অনেক সুযোগ। যেহেতু এই সেক্টরে শিক্ষার্থী কম তাই প্রতিযোগিতাও কম। ফলে বাইরে স্কলারশীপ পাওয়া/বাইরে যাওয়াটা মোটামুটি সহজ। পেট্রোলিয়াম ইঞ্জিনিয়ারদের জন্য বিশ্বের বিশেষ কিছু স্কলারশিপের নাম দেওয়া হলো:-
1. SPE Section Scholarships
2. The Desk and Derrick Educational Trust Scholarships
3. Joseph King McMahon Scholarship
4. Donald G. Russell Scholarship
5. Gus Archie Scholarship Program
6. BP America Scholarship
এছাড়াও জ্বালানি ও সম্পদ প্রতিমন্ত্রী বলেছেন দেশের ৫০০ জন পেট্রোলিয়াম ইঞ্জিনিয়ারকে সরকারিভাবে ইন্টার্নশিপ করাবেন এবং চাকুরির সুযোগ দিবেন। বাইরের দেশগুলো যেমন USA, Canada, Australia, Japan, Norway তে এই বিষয় নিয়ে উচ্চতর পড়াশুনা করার বিস্তর সুযোগ রয়েছে।পেট্রোলিয়াম ইঞ্জিনিয়ারদের জন্য স্বর্গতুল্য ভার্সিটিগুলো হচ্ছে-
1. Colorado School of Mines
2. Stanford University
3. Tokyo University
4. University of Stavanger
5. University of Texas
6. Imperial College London
7. Texas Tech University etc.
মাইনিং ইঞ্জিনিয়ারদের জন্য কানাডা হলো স্বর্গ। এখানে পড়াশোনা ও কর্মক্ষেত্রের বিস্তর সুযোগ রয়েছে। চুয়েটের অনেক পিএমই গ্র্যাজুয়েট বর্তমানে বিশ্বে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চতর ডিগ্রীর জন্য পড়ালেখা করছে এবং অনেক বড় বড় কোম্পানিতে চাকরিরত অবস্থায় আছে।
বাংলাদেশে প্রায় ৬০ টির মতো সরকারি বেসরকারি পেট্রোলিয়াম কোম্পানি রয়েছে। যাদের মধ্যে বাপেক্স, পেট্রোবাংলা, পদ্মা অয়েল ইত্যাদি অন্যতম। এছাড়া বিভিন্ন এলপিজি, এলএনজি কোম্পানি তো আছেই। আগামী কয়েক বছরে এর সংখ্যা আরো বহুগুণে বৃদ্ধি পাবে। ইতোমধ্যেই সরকার বিভিন্ন জ্বালানি শিল্পের সাথে সংশ্লিষ্ট কোম্পানিগুলোতে পেট্রোলিয়াম ইঞ্জিনিয়ারদের নিয়োগ দেওয়া বাধ্যতামূলক করেছে। বঙ্গোপসাগরে শুরু হয়েছে সিসমিক সার্ভে। খুলনা ও চট্টগ্রামে চালু হয়েছে দুইটি এলএনজি(LNG) টার্মিনাল। এছাড়া দেশের বাইরে এই সেক্টরে রয়েছে অনেক নামিদামি প্রতিষ্ঠান। যেমন- Chevron, Krisenergy, Petronas, Sinopac ইত্যাদি। এইসব প্রতিষ্ঠানগুলো টোটাল রিভেনিউর দিক থেকে বিশ্বের সেরা প্রতিষ্ঠানগুলোর জায়গা দখল করে নিয়েছে। তাই এইসব প্রতিষ্ঠানের স্যালারি কেমন হতে পারে তা আন্দাজ করাই যায়।
একটা কথা প্রচলিত আছে পিএমই মেয়েদের জন্য নয়। কিন্তু এটি আসলে সত্যি নয়। বিশ্বের বিভিন্ন বড় বড় কোম্পানিতে ছেলেদের পাশাপাশি সমান তালে মেয়েরাও কাজ করে যাচ্ছে। বিশ্বে পেট্রোলিয়াম ইঞ্জিনিয়ারদের আয় ও জীবনমান খুবই উন্নতমানের। তাছাড়া পিএমই এর ফিল্ড জবগুলো অনেক অ্যাডভেঞ্চারস।
ভালোভাবে মনোযোগ দিয়ে পড়াশোনা করলে এই সাব্জেক্ট থেকে অনেক আউটপুট পাওয়া যাবে। যদি তোমার ডেডিকেশন ও প্যাশন থাকে তবে তোমাকে পিএমই তে স্বাগতম।
Welcome to Department of Petroleum and Mining Engineering.
Keep Calm and Study PME!!!
Utsha Chowdhury
PME'19, CUET

Post a Comment

0 Comments
* Please Don't Spam Here. All the Comments are Reviewed by Admin.

Top Post Ad

Below Post Ad

বিশেষ ছাড়ে ডিজিটাল প্রোডাক্ট কিনতে এখানে ক্লিক করুন!!

Shemanto Sharkar